যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তান আলোচনা, নজর রাখছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৫৮ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে সম্ভাব্য আলোচনা এবং এর ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর রাখছে ভারত। নয়াদিল্লির ভাষ্য, জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এমন যেকোনো বিষয়ে তারা তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখছে।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা জানান।

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খানের সাম্প্রতিক ইসলামাবাদ সফর এবং সেখানে যুদ্ধবিমান সংক্রান্ত আলোচনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে—এমন সব পরিস্থিতির ওপর আমরা গভীর নজর রাখছি।”

সংবাদ সম্মেলনে আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকে ঢাকা ও করাচির মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর বিষয়টিও উঠে আসে। এ বিষয়ে ফ্লাইট পরিচালনায় ভারতের আকাশসীমা ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশ অনুমতি চেয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ধরনের বিষয় বিদ্যমান বিমান পরিষেবা চুক্তি অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে।

এ সময় বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার প্রসঙ্গ তুলে ভারতের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। তিনি বলেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদীদের মাধ্যমে সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার একটি উদ্বেগজনক ধারা ভারত লক্ষ্য করছে এবং এ ধরনের ঘটনাগুলো দ্রুত ও কঠোরভাবে মোকাবিলা করা প্রয়োজন।

রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, এসব সহিংস ঘটনাকে ব্যক্তিগত শত্রুতা বা রাজনৈতিক বিরোধ হিসেবে দেখানোর একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা অপরাধীদের উৎসাহিত করে এবং সংখ্যালঘুদের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতা বাড়ায়।

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারত বরাবরের মতোই অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তিনি বলেন, “বিশ্বাসযোগ্য জনমত প্রতিষ্ঠার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

প্রধান সম্পাদক: মো. নূরুল হক

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: আজরত পাড়া, মহাখালী, ঢাকা ১২১২।

ইমেইল: mofossolsangbad@gmail.com

মোবাইল: 01626605495