কোটা সংস্কারের কথা প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন ২০১৪ সালেই: প্রেস সচিব
মফস্বল সংবাদ ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬, ০৮:০৮ পিএম
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে ২০১৪ সালেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অবস্থান জানিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।
শনিবার (৩০ মে) লন্ডনে এক গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন।
সালেহ শিবলী বলেন, ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হলেও তারেক রহমান এর পাঁচ বছর আগেই এ বিষয়ে প্রকাশ্যে মত প্রকাশ করেছিলেন। তিনি জানান, ২০১৪ সালের ১৫ জুলাই লন্ডনের টাওয়ার হিলে এক অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেছিলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থা সংস্কার করে তা ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে এবং মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ওই সময় তারেক রহমান সরকারি চাকরিতে প্রায় ৫০ শতাংশ কোটা থাকার কথা উল্লেখ করে সেটি কমিয়ে ৫ শতাংশে আনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন, যাতে মেধাবীদের জন্য বেশি সুযোগ তৈরি হয়।
প্রেস সচিব দাবি করেন, তার বক্তব্যের সমর্থনে একটি ভিডিওও উপস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে তাকে কোটা কমিয়ে ৫ শতাংশে আনার কথা বলতে শোনা যায়।
এদিকে সালেহ শিবলী আরও বলেন, ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় প্রভাব ফেলে এবং পরবর্তীতে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পথ তৈরি হয়।
তিনি দাবি করেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর দায়িত্ব নেওয়া বিএনপি সরকার কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব নিরসনে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু, স্বাস্থ্য খাতে এক লাখ নার্স নিয়োগ এবং বিদেশে দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে ভাষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে যে আন্দোলন শুরু হয়, তা পরবর্তীতে ব্যাপক গণআন্দোলনে রূপ নেয় এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের ক্ষেত্র তৈরি করে।