শেষ হলো নির্বাচন ও গণভোটের প্রচারণা
মফস্বল সংবাদ ডেস্কক
প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩৮ এএম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের নির্বাচনি প্রচার বন্ধ করতে হয়। সে অনুযায়ী মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে প্রচারণা শেষ করতে হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, সব প্রার্থী ও রাজনৈতিক দল প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করেছে। তবে বিধান অনুযায়ী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টার পর আর কোনো ধরনের প্রচার চালানো যাবে না।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে। তার ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগেই নির্বাচনি প্রচার বন্ধ করার বিধান রয়েছে। সেই হিসাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যেই প্রার্থীদের পোস্টার, মাইকিং, সভা-সমাবেশসহ সব ধরনের প্রচারণা শেষ হয়। গত ২২ ডিসেম্বর থেকে এবারের নির্বাচনে মোট ২০ দিন প্রচারের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তবে জামায়াতে ইসলামীর এক প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।
এবারের নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। মোট প্রার্থী রয়েছেন দুই হাজার ৩৪ জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৫ জন।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। দলটির প্রতীক ‘ধানের শীষ’ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৯১ জন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৫৮ জন প্রার্থী ‘হাতপাখা’ প্রতীকে নির্বাচন করছেন। জামায়াতে ইসলামীর ২২৯ জন প্রার্থী ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয় পার্টির ১৯৮ জন প্রার্থী নির্বাচন করছেন ‘লাঙ্গল’ প্রতীক নিয়ে।
এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৩২ জন প্রার্থী ‘শাপলা কলি’ প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে রয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ৭৬ জন ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সব মিলিয়ে ভোটের আগে শেষ হলো উত্তপ্ত নির্বাচনি প্রচারণা। এখন অপেক্ষা ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটগ্রহণের।