আবারও রিমান্ডে শুটার ফয়সালের স্ত্রী, বান্ধবী ও শ্যালক
মফস্বল সংবাদ ডেস্কক
প্রকাশ: ২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:২১ পিএম
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যার মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের স্ত্রী, বান্ধবী ও শ্যালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবারও চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছিদ্দিক আজাদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে মামলার অপর আসামি রেন্ট এ কার ব্যবসায়ী মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বলকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এদিন বিকেলে প্রথম দফার রিমান্ড শেষে প্রধান সন্দেহভাজন শুটার ফয়সালের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু ও বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমাকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছিল। এছাড়া ১৭ ডিসেম্বর নুরুজ্জামানকে তিন দিনের রিমান্ডে দেওয়া হয়।
ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ আদালতে তিন আসামির সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য উদ্দেশ্য উদঘাটন, অর্থদাতা ও পরিকল্পনাকারীদের শনাক্ত এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুনরায় রিমান্ড প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
শুনানি শেষে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন জানান, আদালত তিন আসামির চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং নুরুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এ পর্যন্ত মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ফয়সালের বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, সহযোগী মো. কবির, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম। এদের মধ্যে ফয়সালের বাবা-মা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা দায়ের করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিঙ্গাপুরে হাদির মৃত্যু হলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়। শনিবার জানাজা শেষে তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে দাফন করা হয়।