আমার দুঃসময়ে বিএনপির শতভাগ সহযোগিতা পেয়েছি: রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

মফস্বল সংবাদ ডেস্কক

প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৩৮ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নানা চাপ, অপসারণের চেষ্টা ও চক্রান্তের মুখে পড়লেও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় অবিচল ছিলেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। গত শুক্রবার দৈনিক কালের কণ্ঠ–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ওই কঠিন সময়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং তাদের জোটসঙ্গী তার প্রতি শতভাগ সহযোগিতা জানিয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মুহাম্মদ ইউনূস–এর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাকে অপসারণের চেষ্টা, বিদেশ সফর আটকে দেওয়া, কূটনৈতিক মিশন থেকে ছবি সরানো এবং বঙ্গভবনের প্রেস উইং প্রত্যাহারের মতো ঘটনা ঘটেছে। “এক রাতের মধ্যে সারা পৃথিবীর সব হাই কমিশন থেকে আমার ছবি নামিয়ে দেওয়া হলো। বহু বছরের রেওয়াজ রাতারাতি শেষ করে দেওয়া হলো,” বলেন তিনি।

২২ অক্টোবর ২০২৪ বঙ্গভবন ঘেরাওয়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ওই রাতটি ছিল ‘বিভীষিকাময়’। তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সশস্ত্র বাহিনীর দৃঢ় অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। রাষ্ট্রপতি জানান, সেনাবাহিনীসহ তিন বাহিনীর প্রধানরা অসাংবিধানিক কোনো উদ্যোগ নেবেন না—এমন আশ্বাস তাকে মনোবল জুগিয়েছে।

রাষ্ট্রপতি আরও অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস সংবিধানের বিধান অনুযায়ী তার সঙ্গে সমন্বয় করেননি। বিদেশ সফরের তথ্য জানানো এবং কাতারের আমিরের আমন্ত্রণে আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার বিষয়েও বাধা দেওয়া হয়। এছাড়া বঙ্গভবনের প্রেস সেক্রেটারি, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি ও অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রেস সেক্রেটারিকে প্রত্যাহার করে পুরো প্রেস উইং ‘নিল’ করে দেওয়া হয়েছে, ফলে কোনো প্রেস রিলিজ দেওয়ার সুযোগ ছিল না।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, “সবকিছু সহ্য করে আমি শুধু একটাই লক্ষ্য ধরে রেখেছিলাম—সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা।”

প্রধান সম্পাদক: মো. নূরুল হক

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: আজরত পাড়া, মহাখালী, ঢাকা ১২১২।

ইমেইল: mofossolsangbad@gmail.com

মোবাইল: 01626605495