সশস্ত্র বাহিনী দিবস: শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা
মফস্বল সংবাদ ডেস্কক
প্রকাশ: ২১ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:৩৯ এএম
যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ–উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আজ শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত হচ্ছে। দিবসের শুরুতেই রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
এরপর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে শিখা অনির্বাণে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণীও দিয়েছেন।
আইএসপিআর জানিয়েছে, দিবস উপলক্ষে তিন বাহিনীর প্রধানরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে এবং রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া আমি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে ১০১ জন খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের উত্তরাধিকারীদের মাঝে শুভেচ্ছা স্মারক বিতরণ করা হবে।
বিকেল ৪টায় ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ সংবর্ধনায় প্রধান বিচারপতি, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, বিদেশি কূটনীতিক, সামরিক-বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বীরশ্রেষ্ঠদের উত্তরাধিকারী, খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে।
ঢাকা ছাড়াও বরিশাল, কক্সবাজার, সিলেট, বগুড়া, ঘাটাইল, চট্টগ্রাম, যশোর, রংপুর ও খুলনার বিভিন্ন সেনানিবাসে সংবর্ধনা আয়োজন করা হয়েছে। নৌবাহিনীর বিশেষভাবে সজ্জিত জাহাজ ঢাকা, খুলনা, চাঁদপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রামের নিকটস্থ ঘাটে দুপুর ২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
এ ছাড়া সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ টেলিভিশনে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়েছে। আজ সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বেতার ‘দুর্বার’ শিরোনামে বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করবে। জাতীয় দৈনিকগুলোর বাংলা ও ইংরেজি সংস্করণে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হবে। পাশাপাশি সামরিক বাহিনীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।