সংসদে জনআকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলনে যেতে হবে: জামায়াত আমির
মফস্বল সংবাদ ডেস্কক
প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৮ পিএম
সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সংসদের ভেতরেই সমাধান চান বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, সংসদের ভেতরে জনগণের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন না হলে তখন স্বাভাবিকভাবেই রাজপথে আন্দোলনে যেতে হতে পারে। তবে তারা আপাতত সেই পরিস্থিতি চান না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রোববার বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যেহেতু বিষয়টি আজ সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে এবং স্পিকার সেটি বিবেচনায় নিয়ে নোটিশ দিতে বলেছেন, তাই সংসদের ভেতরেই এ বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খোঁজা সম্ভব।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আদালতে যাওয়ার কথাও শুনেছেন, তবে সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। আদালতের বিষয়টি কীভাবে এগোবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। তবে তিনি মনে করেন, এটি কার্য উপদেষ্টা কমিটির বিষয় নয়; বরং পুরো সংসদের আলোচনার মাধ্যমেই এর সমাধান হওয়া উচিত। তারপরও যদি অন্য কোথাও বিষয়টি ওঠে, তখন পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
জামায়াত আমির বলেন, ২০২৬ সালে কোনো নির্বাচন নির্ধারিত ছিল না। কিন্তু একই ধরনের প্রেসিডেনশিয়াল অর্ডারের মাধ্যমে কিছু বিষয় সংবিধানের বাইরে গিয়েও মেনে নেওয়া হয়েছে, আবার অন্য ক্ষেত্রে তা মানা হচ্ছে না। যদি কোনো বিষয় না মানা হয়, তবে দুটিই না মানা উচিত; আর যদি মানা হয়, তবে দুটিই মানতে হবে।
তিনি আরও বলেন, অধিবেশন শুরুর সময় পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তারা বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চেয়েছিলেন। পরে স্পিকার এক ঘণ্টা পর কথা বলার সুযোগ দেন। গত বছরের ১৩ নভেম্বর জারি করা আদেশটি সংসদে পড়ে শোনানো হয়েছে এবং এর দ্রুত সমাধান চাওয়া হয়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তারা ইতোমধ্যে শপথ নিয়েছেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে যারা শপথ নেননি তারা কবে শপথ নেবেন, সংস্কার পরিষদের অধিবেশন কবে ডাকা হবে এবং গণভোটের ফলাফল কীভাবে কার্যকর করা হবে। তিনি বলেন, প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছেন। সেই গণভোটের চূড়ান্ত অবস্থান কী হবে, সেটিও পরিষ্কার করা প্রয়োজন।