শেরপুরে নির্বাচনি সংঘর্ষে জামায়াত নেতার মৃত্যু, সরকারের গভীর উদ্বেগ
মফস্বল সংবাদ ডেস্কক
প্রকাশ: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:১১ পিএম
শেরপুরে সাম্প্রতিক সহিংসতায় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার মৃত্যুতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সহিংসতার সঙ্গে জড়িত যেকোনো প্রাণহানি অগ্রহণযোগ্য এবং গভীরভাবে দুঃখজনক।
জাতীয় নির্বাচনের মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি থাকায় সরকার বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ সব রাজনৈতিক দলকে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব প্রদানের পাশাপাশি তাদের সমর্থকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিংসতা, ভয় দেখানো এবং প্রাণহানির কোনো স্থান নেই।
শেরপুরের সংঘর্ষ ও হত্যার ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সব অপরাধীকে বিচারের আওতায় আনা হবে এবং জেলায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে সব দল, নেতা ও সমর্থকদের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ভোটারদের শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলকভাবে সম্পৃক্ত করতে রাজনৈতিক দলগুলোকে ভূমিকা রাখতে হবে। জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে সব পক্ষের শান্তি, শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক আচরণের ওপর। পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনি ইশতেহার অনুষ্ঠানে। চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নিহত হন। এছাড়া উভয় পক্ষের প্রায় ৫০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ইশতেহার অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগে, ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে।