বিশ্ব পাই দিবস আজ

মফস্বল সংবাদ ডেস্কক

প্রকাশ: ১৪ মার্চ ২০২৬, ১২:১৫ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

আজ ১৪ মার্চ, বিশ্ব পাই দিবস। গণিতের গুরুত্বপূর্ণ ধ্রুবক পাই (π)-এর সম্মানে প্রতি বছর এই দিনটি বিশ্বজুড়ে উদ্‌যাপন করা হয়। পাইয়ের মান প্রায় ৩.১৪ হওয়ায় ৩/১৪ তারিখকে ঘিরেই এই দিবস পালনের প্রচলন হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে গণিত ও বিজ্ঞানপ্রেমীরা দিনটিকে বিশেষভাবে উদ্‌যাপন করে থাকেন।

গণিতের বিভিন্ন ধ্রুবক মানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও গুরুত্বপূর্ণ একটি হলো পাই। এই সংখ্যাটির বৈশিষ্ট্য হলো এটি অসীম এবং পুনরাবৃত্তিহীন। অর্থাৎ এর দশমিকের পরের অঙ্কগুলো কখনো শেষ হয় না এবং কোনো নির্দিষ্ট ধারাও অনুসরণ করে না। এ কারণেই পাইকে ঘিরে আজও গবেষণা ও অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।

পাইয়ের মান সাধারণভাবে ৩.১৪১৫৯২৬৫৩৫৮৯৭৯… হিসেবে ধরা হয়। মার্চ মাসের ১৪ তারিখকে ৩/১৪ আকারে প্রকাশ করা যায় বলে ১৯৮৮ সাল থেকে এ দিনটি পাই দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। পরে ২০১৯ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেস্কো আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটির স্বীকৃতি দেয়।

ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, পাইয়ের প্রথম নির্ভুল গণনা করা হয় খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ২৫০ সালে। প্রাচীন গ্রিসের বিখ্যাত গণিতবিদ আর্কিমিডিস বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত নির্ণয়ের মাধ্যমে পাইয়ের মান নির্ধারণ করেন। তিনি দেখিয়েছিলেন, সংখ্যাটি ৩.১৪২৮৫৭ ও ৩.১৪০৮৪৫-এর মাঝামাঝি অবস্থান করে।

পরে ১৭০৬ সালে গণিতবিদ উইলিয়াম জোনস বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত বোঝাতে গ্রিক অক্ষর পাই (π) প্রতীকটি ব্যবহার করেন। তিনি ‘সিনোপসিস পালমারিওরাম ম্যাথেসিওসে’ নামের একটি গবেষণাপত্রে প্রথম এই প্রতীকটি ব্যবহার করেন।

পাই মূলত একটি বৃত্তের পরিধি ও তার ব্যাসের অনুপাত নির্দেশ করে। গণিত ছাড়াও পদার্থবিজ্ঞান, প্রকৌশলসহ বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এর বহুমাত্রিক ব্যবহার রয়েছে। প্রাচীন ব্যাবিলন ও মিসরীয় সভ্যতাতেও বিভিন্ন মাত্রার নির্ভুলতায় পাইয়ের ব্যবহার দেখা গেছে। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই রহস্যময় সংখ্যাকে ঘিরে বিজ্ঞানীদের গবেষণা আজও অব্যাহত রয়েছে।

প্রধান সম্পাদক: মো. নূরুল হক

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: আজরত পাড়া, মহাখালী, ঢাকা ১২১২।

ইমেইল: mofossolsangbad@gmail.com

মোবাইল: 01626605495