বাবরি মসজিদ বানাতে চাওয়া হুমায়ুনকে ভারত ছাড়তে বললেন বিজেপি মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ০৮:১৮ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে কোরবানি ও পশুবলি নিয়ন্ত্রণে সরকারি সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে।

রাজ্যের নওদা এলাকার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর কোরবানির ওপর বিধিনিষেধের বিরোধিতা করে বলেন, কোরবানি মুসলিমদের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুশীলনের অংশ। তার দাবি, রাজ্যের অনেক মুসলিম গরুর মাংস ভক্ষণ করেন এবং কোরবানি বন্ধ করা হলে কসাইখানাও বন্ধ করতে হবে। প্রশাসনিক নির্দেশ দিয়ে ধর্মীয় আচার বন্ধ করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

হুমায়ুন কবীরের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল কড়া মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ভারতে বসবাস করতে হলে দেশের আইন ও সরকারি নিয়ম মেনে চলতে হবে। নিয়ম মানতে আপত্তি থাকলে অন্যত্র চলে যাওয়ার পরামর্শও দেন তিনি।

গত ১৩ মে পশ্চিমবঙ্গ সরকার আদালতের অনুমোদনের ভিত্তিতে প্রকাশ্যে পশুবলি ও কোরবানি নিয়ন্ত্রণে নির্দেশনা জারি করে। এতে অননুমোদিত স্থানে পশু জবাই, প্রকাশ্যে রক্তপাত এবং গবাদিপশু জবাইয়ের ওপর নজরদারি বাড়ানোর কথা বলা হয়।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জনস্বাস্থ্য রক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশ এই নির্দেশনাকে ধর্মীয় অধিকারের ওপর হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

আগামী ২৭ মে ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে এই বিতর্ক আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিরোধীদের অভিযোগ, এ ধরনের সিদ্ধান্ত ও মন্তব্য রাজ্যে ধর্মীয় বিভাজন আরও গভীর করতে পারে। তবে বিজেপির দাবি, আইন সবার জন্য সমান এবং কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

প্রধান সম্পাদক: মো. নূরুল হক

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: আজরত পাড়া, মহাখালী, ঢাকা ১২১২।

ইমেইল: mofossolsangbad@gmail.com

মোবাইল: 01626605495