সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া চাঁদা নয়, বাধ্য করা হলে চাঁদা: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

মফস্বল সংবাদ ডেস্কক

প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৮ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সড়কে বিভিন্ন পরিবহন থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া হলে সেটিকে চাঁদা হিসেবে দেখা যায় না। তবে টাকা দিতে বাধ্য করলে সেটিই চাঁদা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে নিজের কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, “সড়কে পরিবহনের চাঁদা যেটা বলা হয়, সেভাবে আমি সেটাকে চাঁদা হিসেবে দেখি না। মালিক সমিতি ও শ্রমিক সমিতি আছে, তারা তাদের কল্যাণে এটা ব্যবহার করে। এটা একটি অলিখিত নিয়মের মতো। চাঁদা বলতে আমি বোঝাতে চাই, যেটা কেউ দিতে চায় না বা বাধ্য হয়ে দিতে হয়।”

তিনি আরও জানান, মালিক সমিতি নির্দিষ্ট হারে টাকা সংগ্রহ করে মালিক ও শ্রমিকদের কল্যাণে ব্যবহার করতে চায়। যদিও কতটুকু ব্যবহার হয় তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, কিন্তু এটি সমঝোতার ভিত্তিতে করা হয়।

মন্ত্রী রবিউল আলম আরও বলেন, “শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনসহ অনেক সংস্থা সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা তোলে। ক্ষমতাসীন দলের শ্রমিক সংগঠনের প্রভাবও থাকে। কিন্তু এটি চাঁদা হিসেবে আমাদের কাছে আসে না। কারণ এটি সমঝোতার মাধ্যমে করা হয়।”

তিনি যোগ করেন, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা জায়গাগুলোতে বাইরে থেকে চাপ প্রয়োগ করে চাঁদা নেওয়ার সুযোগ নেই। যদি মালিকরা সমঝোতার ভিত্তিতে কাজ করেন, আমরা দেখব কেউ বঞ্চিত হচ্ছে কি না এবং অর্থের অপব্যবহার হচ্ছে কি না।

সড়কে যানজটের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “মহাসড়কের ওপর অনেক জায়গায় বাজার বসে গেছে। এগুলোকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে।”

ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার বিষয়ে তিনি বলেন, “ছুটি ছোট হলে চাপ নেওয়া কঠিন হয়। গতবার ছুটি বড় ছিল, এবারও সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। নতুন প্রক্রিয়া অবলম্বন করলে ভোগান্তি কমানো সম্ভব।”

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, নিরাপদে মানুষকে বাড়ি পাঠানো সম্ভব হবে, তবে ছুটির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টি চূড়ান্ত করতে আরও কিছুদিন পর্যবেক্ষণ করা হবে।

প্রধান সম্পাদক: মো. নূরুল হক

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: আজরত পাড়া, মহাখালী, ঢাকা ১২১২।

ইমেইল: mofossolsangbad@gmail.com

মোবাইল: 01626605495