সুবিধাবাদী মোস্তফা

ক্ষমতার লোভে ঘন ঘন দলবদল

মো. সাব্বির মামুন

প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৩ পিএম

ছবি: প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলা-এ সাবেক এক শিক্ষকের ঘন ঘন দলবদল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি সামনে আসে সাংবাদিক ও সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট সুজন মাহমুদের একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে।

পোস্টে তিনি দাবি করেন, রাজিবপুর সরকারি কলেজের সাবেক ভাইস প্রিন্সিপাল গোলাম মোস্তফা তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দিয়ে। একসময় তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদপ্রার্থীও ছিলেন। পরবর্তীতে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের সময় তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই উপজেলা পর্যায়ে সহ-সভাপতির পদ লাভ করেন। দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে তার সক্রিয় অংশগ্রহণের কথাও পোস্টে উল্লেখ করা হয়।

পোস্টে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর আবারও তার অবস্থান বদলে যায় এবং তিনি পুনরায় বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করেন। স্থানীয় এক নেতার মাধ্যমে দলে যোগ দেওয়ার ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে। একই সময়ে আওয়ামী লীগের আরও কয়েকজন কর্মীকেও বিএনপিতে যোগ দিতে দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়।

সুজন মাহমুদের পোস্ট ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই জানতে চাচ্ছেন, ঘন ঘন দল পরিবর্তনের পেছনে কারণ কী এটি কি ব্যক্তিগত সুবিধা, নাকি রাজনৈতিক কৌশল?

একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, কেন রাজনৈতিক দলগুলো এমন দলবদলকারী নেতাদের দলে অন্তর্ভুক্ত করছে এবং এতে তৃণমূল পর্যায়ের দীর্ঘদিনের কর্মীরা কতটা মূল্যায়ন পাচ্ছেন।

এ বিষয়ে এক ফেসবুক মন্তব্যে রাজিবপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহবুব রশিদ মন্ডল বলেন, “যতটুকু জানি, ৫ আগস্টের পর তাকে দুই-একবার জামায়াতের কর্মসূচিতেও দেখা গেছে।”

তার দাবি মোস্তফা কে জামায়াতের প্রোগ্রামেও দেখেছেন তিনি।

প্রধান সম্পাদক: মো. নূরুল হক

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: আজরত পাড়া, মহাখালী, ঢাকা ১২১২।

ইমেইল: mofossolsangbad@gmail.com

মোবাইল: 01626605495